BKPA FoundationBKPA Foundation
← রেনাল ট্রান্সপ্লান্টেশন

HLA & Tissue Typing

HLA & Tissue Typing

Blood related donor এ HLA Typing এর হিসাবটা কিন্তু একেবারে অংকের মত। যেমনঃ

*বাবার সাথে ৫০% ম্যাচ করে

*মায়ের সাথে ৫০% ম্যাচ করে

*শতকরা ২৫ ভাগ ক্ষেত্রে আপন ভাই/বোন এর সাথে ১০০% ম্যাচ করে; ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে ৫০% ম্যাচ করে; ২৫ ভাগ ক্ষেত্রে একদম কোন ম্যাচ করেনা।

*আপন চাচাতো/ফুপাতো/মামতো/খালাতো ভাই-বোন এর প্রতি ১৬ জনের মধ্যে ১ জনের কিছু ম্যাচ পাওয়া যাবে।

এরপর ও কিন্তু বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়াতে যেখানে blood related donor দিয়ে ট্রান্সপ্লান্ট হয় সেখানেও HLA typing করা হয়, কারন এটা গুরুত্বপূর্ণ।

এখন আসি distant related donor এর বিষয়ে।

প্রশ্ন আসতে পারে যে distant related donor এর ক্ষেত্রে কয়জন ডোনার চেক করা সম্ভব যেহেতু কবে ম্যাচ আসবে তা কেউই বলতে পারেনা। তার চেয়েও বড় কথা HLA Typing টেস্টটা ব্যয়বহুল। কিন্তু HLA Typing এর প্রয়োজন নেই—এটা একদম ভুল কথা।সেক্ষেত্রে পুরা ব্যাপারটাই নির্ভর করে রোগীর অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ডোনার খুজে পাচ্ছেন কিনা তার উপর। যদি কারো অর্থনৈতিক সক্ষমতা থাকে তবে অবশ্যই একাধিক ডোনারের সাথে HLA Matching করা উচিৎ। এরপর যার সাথে তুলনামূলকভাবে ভাল ম্যাচ আসে তাকে ডোনার হিসাবে নির্বাচন করা উচিত।আর কারো যদি অর্থনৈতিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে মাত্র একবার এই টেস্ট করা সম্ভব, তাহলে ওই একবারো না করানো ভাল। ওই টাকাটা ট্রান্সপ্লান্ট এবং তার পরবর্তী চিকিতসার জন্য সেভ করা উচিত। অনেক রুগি কোন রকম HLA Typing না করেও শুধুমাত্র tissue crossmatching করেই রিস্ক নিয়ে Transplant করেন।

এখানে আবার কেউ হয়ত মৃত ব্যক্তির ট্রান্সপ্লান্ট (cadaveric/braindead transplant) এ HLA Typing করা হয় কিনা এটা টেনে আনবেন। এক্ষেত্রে আরো ভয়ানক টেস্ট করা হয় যার নাম হল PRA. এই টেস্টে কারো রিপোর্ট ভাল না আসলে সে waiting list এ সিরিয়ালে নিচে নেমে যাবে। কারন যার রিপোর্ট ভাল তার ট্রান্সপ্লান্ট করলে সে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।অনেক মানুষের সারা জীবন কেটে যায় তার সিরিয়াল আসতে আসতে।

আর husband-wife এর মাঝে ট্রান্সপ্লান্টেও ডোনার স্বল্পতা অথবা অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা অথবা পরস্পরের প্রতি মনের অনুভূতির ব্যাপারটাই মুখ্য। HLA Typing কে এজন্য এক্ষেত্রে টেনে না আনাই ভাল।

শেষ কথা এটাই যে ট্রান্সপ্লান্ট এর স্থায়িত্ব বাড়াতে ভাল HLA Matching নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

ⒸBKPA

এই কনটেন্টটি কতটা সহায়ক ছিল?

সতর্কতাঃ বিকেপিএ একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন যার লক্ষ্য কিডনি রোগ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি,প্রচার এবং সতর্ক করা। বিকেপিএতে সামাজিক মাধ্যম অথবা অন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করে বা সরাসরি প্রত্যক্ষ / পরোক্ষভাবে কোনো প্রকার চিকিৎসা সংক্রান্ত সেবা বা পরামর্শ প্রদান করা হয় না যা শুধুমাত্র আপনার নেফ্রোলজিস্ট এবং রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের এখতিয়ার।বিকেপিএ প্রদত্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কোন প্রকার চিকিৎসা গ্রহণ নিষিদ্ধ।