Walk/Exercise

Walk/Exercise
Exercise/এক্সারসাইজ এর কোনো বিকল্প নাই, ৩০ মিনিট প্রত্যহ হাটা একেবারে আইন করে ফেলুন,১৫ দিন টানা হাঁটার পর দেখবেন একদিন না হাঁটলে অপরাধবোধ কাজ করবে।
কিডনি রোগের যেকোনো স্টেজে হাঁটলে শরীর ভালো থাকে,ব্লাড সুগার,ব্লাড প্রেশার,ডিপ্রেশন,লাং এর রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকে ,ডিটক্সিফাই হয়,ক্যান্সার এর রিস্ক কমায় আবার যারা ট্রান্সপ্লান্ট রেসিপিয়েন্ট তাদের বিভিন্ন ধরণের ইম্মুনোসাপ্রেসিভ ওষুধ খেতে হয় যেমন :-স্টেরয়েড,ট্যাক্রোলিমাস ইত্যাদি, এই ওষুধগুলো রক্তে সুগারের পরিমান এবং ওজন বাড়িয়ে দেয় যা হাঁটার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয় আবার হাঁটলে শরীরের পেশী শক্তিশালী হয় তখন আর্থরাইটিস এর সম্ভাবনা কমে আসে এবং দেখবেন যাদের মাসেল/পেশী বেশি শক্ত তারা অসুস্থ কম হয়। বডি বিল্ডাররা খুব কম অসুস্থ হয় তাই বলে বডি বিল্ডিং করতে যাবেন না কারণ কিডনি রোগীদের কঠিন এক্সারসাইজ করা নিষেধ ,হিতে বিপরীত হবে স্ট্রেসফুল এক্সারসাইজ করলে।
প্রত্যহ লাইট বা হালকা এক্সারসাইজ যেমন ৩০ মিনিট হাঁটুন না পারলে ২০ মিনিট,২০ মিনিট না পারলে ১৫ মিনিট কিন্তু প্রত্যহ হাঁটুন বা হাঁটার চেষ্টা করুন।
**যাদের হাঁটা নিষেধ বা আর্থরাইটিস এ ভুগছেন বা বিভিন্ন কারণে হাঁটা নিষেধ তারা হাঁটবেন না বা ডাক্তার এর পরামর্শে এক্সারসাইজ করবেন।
So…Ready - Set -Walk .
ⒸBKPA
এই কনটেন্টটি কতটা সহায়ক ছিল?
সতর্কতাঃ বিকেপিএ একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন যার লক্ষ্য কিডনি রোগ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি,প্রচার এবং সতর্ক করা। বিকেপিএতে সামাজিক মাধ্যম অথবা অন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করে বা সরাসরি প্রত্যক্ষ / পরোক্ষভাবে কোনো প্রকার চিকিৎসা সংক্রান্ত সেবা বা পরামর্শ প্রদান করা হয় না যা শুধুমাত্র আপনার নেফ্রোলজিস্ট এবং রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের এখতিয়ার।বিকেপিএ প্রদত্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কোন প্রকার চিকিৎসা গ্রহণ নিষিদ্ধ।

