Cold & Cough, Winter Precaution.

Precaution for Cold & Cough/ Winter
শীতকাল, ঠান্ডা-সর্দি-কাশির সিজন।
ঠান্ডা-সর্দি-কাশি হলেই কি এন্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রয়োজন আছে??
ব্যাকটেরিয়া দ্বারা কোন ইনফেকশন হলে এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। বেশিরভাগ সর্দি-কাশির সমস্যা ব্যাকটেরিয়ার কারনে হয়না।
-
বিভিন্ন ভাইরাসের কারনে এরকম হতে পারে।
-
শুষ্ক আবহাওয়ার কারনে শীতকালে বাতাসে ধুলাবালির পরিমান বেশি থাকে। এছাড়া চারিদিকে প্রচুর কন্সট্রাকশনের কাজ চলে। এটা ধুলাবালির পরিমান আরো বাড়িয়ে দেয়।
-
শীতের শেষভাগে ও বসন্তে গাছে ফুল ও মুকুল আসতে শুরু করে।
-
ধুলাবালি, ফুলের পরাগরেণুর কারনে অনেকের এলার্জির সমস্যা হয়। এলার্জির কারনে সর্দি ও কাশি হতে পারে।
-
ঠান্ডা, ধুলাবালি, পরাগরেণু– এসবের কারনে এজমার এটাক হতে পারে। আর এজমার একটা বিশেষ ধরন Cough variant Asthma তে কাশির প্রাধান্যই বেশি থাকে।
-
উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর কোন ভূমিকা নেই, এরপরো চিকিৎসক ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন সন্দেহ করলে কোনো ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা বা যে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন তা বের করার জন্য জীবাণু সংশ্লিষ্ট ফ্লুইড কালচার টেস্ট করতে পাঠিয়ে এন্টিবায়োটিক শুরু করতে পারেন বা কালচার রিপোর্ট পাওয়ার পর এন্টিবাযোটিক্স শুরু করতে পারেন যা শুধুমাত্র চিকিৎসকের এখতিয়ার….মনে রাখতে হবে কালচার টেস্টের রিপোর্ট আসতে সাধারণত ৭২ ঘন্টা সময় নেয়।
-
যেকোনো চেস্ট সম্পর্কিত ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনে চিকিৎসক অনেক সময় প্রাথমিকভাবে Chest Xray, CBC, CRP সহো ইত্যাদি টেস্ট করতে বলতে পারেন।
-
মাস্ক ব্যবহার করুন স্ট্রীক্টলী।
-
গরম পানি স্টিম নেন।
-
গলা ব্যাথার জন্য লবন পানি গরম পানির সাথে মিশিয়ে গড়গড় করা উচিত এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে তাই মধ্যম মাত্রার গরম পানি ব্যবহার করা উচিত।
-
Asthma রোগীসহ প্রত্যেকে ঘরে নেবুলাইজার মেশিন রাখতে পারেন, ফার্মেসিতে নেবুলাইজার সলিউশন পাওয়া যায় যা চিকিৎসকের পরামর্শে নেবুলাইজার মেশিনে ব্যবহার করতে পারেন যেমন- Sulprex, Windel Plus ইত্যাদি যা কাশি এবং শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
-
হ্যান্ড হাইজিন মেইনটেইন করা উচিত, অপরিষ্কার হাত স্যানিটাইজেশন ছাড়া চোখে মুখে স্পর্শ থেকে বিরত থাকুন।
-
হালকা গরম পানি খান।
-
এলার্জির কারণে হলে ডাক্তার এর পরামর্শে এন্টিহিস্টামিন যেমন: Loratadin/Fexofenadin/Montelukast etc খেতে পারেন।
-
কফ তরলীকরণ ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শে খেতে পারেন।
-
নাক স্যালাইন ওয়াটার দিয়ে পরিষ্কার করুন, আমাদের দেশে Norsol স্যালাইন ওয়াটার নাম এ পাওয়া যায় সেটা দিয়ে পরিষ্কার করুন এবং congestione থাকলে নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শে xylometazole/ Oxymetazol Nasal Drop/Spray অল্প কিছুদিন ব্যবহার করতে পারেন, এছাড়াও সিজনাল এলার্জি সহো নাকের ইনফ্লামেশন প্রতিরোধের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে স্টেরয়েড ন্যাজাল স্প্রে যেমন: ফ্লুটিকাসন, মোমেটাসন ইত্যাদি ন্যাজাল স্প্রে ভালো কাজে দেয়।
-
ভিটামিন C যুক্ত খাবার যেমন লেবু ভাতের পাশাপাশি এক টুকরো রাখুন খাবার জন্য।
-
ফ্লু ভ্যাকসিন নিতে পারেন ডাক্তার এর পরামর্শে, ইয়ারলি একবার ফ্লু ভ্যাকসিন সাজেস্ট করে, এছাড়াও নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিন নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শে নিতে হবে।
-
ওরাল হাইজিন মেইনটেইন করা জরুরি।
এই কনটেন্টটি কতটা সহায়ক ছিল?
সতর্কতাঃ বিকেপিএ একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন যার লক্ষ্য কিডনি রোগ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি,প্রচার এবং সতর্ক করা। বিকেপিএতে সামাজিক মাধ্যম অথবা অন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করে বা সরাসরি প্রত্যক্ষ / পরোক্ষভাবে কোনো প্রকার চিকিৎসা সংক্রান্ত সেবা বা পরামর্শ প্রদান করা হয় না যা শুধুমাত্র আপনার নেফ্রোলজিস্ট এবং রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের এখতিয়ার।বিকেপিএ প্রদত্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কোন প্রকার চিকিৎসা গ্রহণ নিষিদ্ধ।

