BKPA FoundationBKPA Foundation
← ক্রনিক কিডনি ডিজিজ

Anemia/রক্তশূন্যতা.

Anemia/রক্তশূন্যতা.

  • প্রতিটি কিডনি ও ডায়ালাইসিস রুগিরা সাধারণত একইসাথে ২ ধরনের রক্তশূন্যতায় ভোগেন।
  • প্রথমত.- কিডনি বিকল হওয়ার ফলে ইরাইথ্রোপোয়েটিন এর স্বল্পতার কারনে সৃষ্ট রক্তশূন্যতা।
  • দ্বিতীয়ত.- খাবারের রেস্ট্রিকশনের কারনে প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন বি ও সি ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের খাদ্য উপাদানের স্বল্পতা জনিত কারনে সৃষ্ট রক্তশূন্যতা।
  • এছাড়া প্রতি ডায়ালাইসিস শেষে খুব অল্প পরিমাণে রক্ত লস হওয়াও রক্তশূন্যতার একটি অন্যতম কারন।

  • এজন্য কিডনি রুগিদের শুধু ইরাইথ্রোপোয়েটিন ইনজেকশন নিলেই রক্তশূন্যতা ঠিক হয়না। তাদের আয়রন লেভেল চেক করে প্রয়োজনে আয়রন স্যালাইন নিতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, যদি আয়রন স্বল্পতা থাকা অবস্থায় ইরাইথ্রোপোয়েটিন ইনজেকশন নেয়া হয় তাহলে এই ইরাথ্রোপোয়েটিন শরীরের রিজার্ভ আয়রন ব্যবহার করতে শুরু করে। ফলে আয়রন স্বল্পতার কারনে সৃষ্ট রক্তশূন্যতা আরো বেড়ে যায়, তখন হিমোগ্লোবিন আরো কমে যায়।

  • এই ২ ধরনের ইনজেকশন নেয়ার পাশাপাশি মুখে আয়রন ও বিভিন্ন ভিটামিনের কম্বিনেশনের ক্যাপসুল খেতে হবে।

  • ডায়ালাইসিস রুগিদের অনেক বেশি প্রোটিন খেতে হবে। ডায়ালাইসিস শেষে একটা করে ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি এর ইনজেকশন নিতে হবে।

  • কোনো কারনে শরীর থেকে রক্ত লস হচ্ছে কিনা সেটার ইভ্যালুয়েশন করাও জরুরি। আমাদের দেশে এরকম ২টি common কারন হল ১…কৃমি আর ২…পাইলস।

  • যে ইরাথ্রোপোয়েটিন ইঞ্জেকশনটি আপনারা কেনেন সেটাকে ঠিকমতো টেম্পারেচার মেইনটেইন করে প্রিজার্ভ করা হয়েছে কিনা সেটার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন। অনেক বিদেশি কোম্পানির ইরাইথ্রোপোয়েটিন লাগেজে করে কোনো টেম্পারেচার মেইনটেইন না করেই এনে মেডিসিন দোকানে ফ্রিজআপ করা হয়। এগুলোতে কখোনোই আশানুরূপ ফলাফল পাবেন না।

  • সর্বোপরি….. কিডনি ও ডায়ালাইসিস রুগিদের বারবার রক্ত দিয়ে হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর প্ল্যান করবেন না। এতে ক্ষতি হবে বেশি, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অনেক বিপজ্জনক রোগ বেধে যেতে পারে। একমাত্র হিমোগ্লোবিন আশংকাজনকভাবে কমে গেলে নেফ্রোলোজিস্ট যদি রক্ত দিতে পরামর্শ দেন তাহলে রক্ত দিবেন।

ⒸBKPA_Foundation

Facebook Group: BKPA FOUNDATION - FACEBOOK GROUP

Facebook Page: BKA FOUNDATION - FACEBOOK PAGE

এই কনটেন্টটি কতটা সহায়ক ছিল?

সতর্কতাঃ বিকেপিএ একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন যার লক্ষ্য কিডনি রোগ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি,প্রচার এবং সতর্ক করা। বিকেপিএতে সামাজিক মাধ্যম অথবা অন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করে বা সরাসরি প্রত্যক্ষ / পরোক্ষভাবে কোনো প্রকার চিকিৎসা সংক্রান্ত সেবা বা পরামর্শ প্রদান করা হয় না যা শুধুমাত্র আপনার নেফ্রোলজিস্ট এবং রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের এখতিয়ার।বিকেপিএ প্রদত্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কোন প্রকার চিকিৎসা গ্রহণ নিষিদ্ধ।