কিডনী রোগ নিরুপনের জন্য বা সতর্ক হতে সাধারণত কি কি টেস্ট বা পরীক্ষা করতে হবে ?

কিডনী রোগ নিরূপণের জন্য বা সতর্ক হতে নিম্নোক্ত টেস্ট বা পরীক্ষাগুলো করা উচিত :-
●● Serum Creatinine with eGFR & Urea/BUN :- কিডনীর সক্ষমতা বা কার্যক্ষমতা বা কতখানি আক্রান্ত তা বুঝতে রক্তের সিরাম ক্রিয়েটিনিন উইথ গ্লুমেরুল ফিল্ট্রেশন রেট এবং ইউরিয়া টেস্ট করা হয়। আপনি কিডনী রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলে তা কোন স্তরে আছে তা জানার জন্য সিরাম ক্রিয়েটিনিন উইথ জিএফআর টেস্টটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
●● Urine Routine Test(RME) and 24 Hours UTP(urinary total protien test) :- ইউরিন রুটিন মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষা করা উচিত যার মাধ্যমে বোঝা যায় ইউরিনে কোনো ইনফেকশন এর সিগন্যাল আছে কিনা বা ইউরিনে এলবুমিন বা প্রোটিন যাচ্ছে কিনা যা কিডনী রোগের চিহ্ন হিসেবে ধরা হয়। অনেক সময় ইউরিনে এলবুমিনের বা প্রোটিনের পরিমাণ এত কম আসে যে সাধারণ রুটিন মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে তাই তখন চিকিৎসক মাইক্রোএলবুমিন বা ২৪ ঘন্টায় কি পরিমান মূত্রে প্রোটিন যাচ্ছে তা জানার জন্য টেস্ট দিতে পারে যা ২৪ ঘন্টা ধরে একটি জারে ইউরিন ধরে বা জমিয়ে রেখে তা পরীক্ষা করতে দিতে হয়।
●● ACR/PCR (ALBUMIN/PROTEIN CREATININE RATIO) :- মাইক্রোএলবুমিন টেস্ট করার জন্য স্পট ইউরিন স্যাম্পল নিয়ে নেফ্রোলজিস্ট এলবুমিন ক্রিয়েটিনিন রেশিও বা প্রোটিন ক্রিয়েটিনিন রেশিও টেস্ট করতে বলতে পারেন যেখানে ইউরিনে মাইক্রোএলবুমিন যাচ্ছে কিনা তা বোঝা যায় তবে ২৪ ঘন্টা ইউরিনারি টোটাল প্রোটিনকে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট হিসেবে বলা হয় ইউরিনে প্রোটিন পরীক্ষা নির্ধারণের জন্য।
●● kidney Ultrasound (USG) :- কিডনীতে কোনো পাথর বা সিস্ট আছে কিনা, টিউমার বা মূত্রতন্ত্রের সমস্যা বুঝতে বা কিডনীর আকার আকৃতি ইত্যাদি নিরূপণের জন্য আলট্রাসাউন্ড একটি উল্লেখযোগ্য পরীক্ষা।
●● CBC,ELECTROLYTES(etc) :- কিডনী রোগের আনুষঙ্গিক জটিলতা দেখতে রক্তের সিবিসি,হিমোগ্লোবিন, ইলেকট্রোলাইটস,ক্যালসিয়াম, ফসফেট ,পিটিএইচ, ভিটামিন ডি ইত্যাদির পাশাপাশি নিয়মিত রক্তে সুগার এবং রক্তচাপ মাপা এবং নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
■ উপরোক্ত টেস্টগুলো ছাড়াও আপনার কিডনী রোগ ধরা পড়ার পর আপনার নেফ্রোলজিস্ট প্রয়জননানুসারে টেস্টের পরিধি বাড়াতে বা কমাতে পারে তাই কিডনী রোগ হতে সতর্ক হতে একজন নেফ্রোলজিস্টের শরণাপন্ন এবং তার নির্দেশমতো মেনে চলা উচিত।
ধন্যবাদ।
ⒸBKPA
এই কনটেন্টটি কতটা সহায়ক ছিল?
সতর্কতাঃ বিকেপিএ একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন যার লক্ষ্য কিডনি রোগ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি,প্রচার এবং সতর্ক করা। বিকেপিএতে সামাজিক মাধ্যম অথবা অন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করে বা সরাসরি প্রত্যক্ষ / পরোক্ষভাবে কোনো প্রকার চিকিৎসা সংক্রান্ত সেবা বা পরামর্শ প্রদান করা হয় না যা শুধুমাত্র আপনার নেফ্রোলজিস্ট এবং রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের এখতিয়ার।বিকেপিএ প্রদত্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কোন প্রকার চিকিৎসা গ্রহণ নিষিদ্ধ।

